Buildings and Campus

১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে সেন্ট ফিলিপস্‌ হাই স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগ শুরু হয় । ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে বিদ্যালয় গৃহের প্রথম তলা, ১৯৭৭-৭৮ খ্রিস্টাব্দে দ্বিতীয় তলা এবং ১৯৯৬ খ্রিস্টাব্দে তৃতীয় তলার কাজ সম্পন্ন করা হয় । ২০০৯ খ্রিস্টাব্দে বিদ্যালয়ের উত্তর দিকে চারতলা এবং ২০১১-১৪ খ্রিস্টাব্দে একটি দক্ষিনমুখী পাঁচতলা বিল্ডিং নির্মাণের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের কলেবর বৃদ্ধি পায় । ২০১৫ খ্রিস্টাব্দে বিদ্যালয়ের পুরাতন ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি ভেঙে ছয়তলা ভীত বিশিষ্ট আরও ১টি নতুন ভবন নির্মাণের কাজ চলছে এবং ইতিমধ্যে ৩ তলার কাজ সুসম্পন্ন হয়েছে ।

বর্তমানে সেন্ট ফিলিপস্‌ হাই স্কুল এন্ড কলেজে পাঁচটি শাখা রয়েছে ।

১. প্রাক্‌-প্রাথমিক শাখা : নার্সারি- দ্বিতীয় শ্রেণী পর্যন্ত (সকাল ৭:৪০-১১:০০) ।

২. প্রাথমিক শাখা : তৃতীয়- পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত (সকাল ৭:০০-১০:৪০) ।

৩. মাধ্যমিক শাখা : ষষ্ঠ- দশম শ্রেণী পর্যন্ত (সকাল ১০:৪০- বিকাল ৪:৪০) ।

৪. কলেজ শাখা : একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী সকাল ৯:০০- দুপুর ২:০০) ।

৫. অবৈতনিক শাখা : মাধ্যমিক ও কলেজ সাখার ছুটির পর হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ।

 

  • মাধ্যমিক শাখায় তিনটি বিভাগ বিদ্যমান : বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যাবসায় শিক্ষা ।
  • কলেজ শাখায় তিনটি বিভাগ বিদ্যমান : বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যাবসায় শিক্ষা ।

ঋতুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে/বিশেষ কারণে দুই ধরনের রুটিন অনুসরন করা হয় । ‘এ’ ০ ‘বি’ রুটিন ।

‘এ’ রুটিনে বিদ্যালয় ছুটি হয় বিকাল ৪:৪০ টায় ।

‘বি’ রুটিনে বিদ্যালয় ছুটি হয় বিকাল ৪:৪০ টায় ।

রুটিনের এ রকমারিতা শুধুমাত্র মাধ্যমিক শাখার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ।

বিষয় বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ২০১৫ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রতিদিন ৮ পিরিয়ড ক্লাস হচ্ছে ।

বিদ্যালয়ে বিভিন্ন ধরনের সহশিক্ষা কার্যক্রম রয়েছে ।

ঐতিহ্যবাহী এই বিদ্যালয়ে প্রাক্‌-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল অত্যন্ত ভালো । ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে এই স্কুল থেকে মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করে লরেন্স বেসরা এবং ২০০০ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞান বিভাগ হতে নবম স্থান অধিকার করে মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান । ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে এস.এস .সি পাশ করার পর শুধুমাত্র সেন্ট ফিলিপস্‌ থেকে নটরডেম কলেজে যোগ্যতার ভিত্তিতে ভর্তি হয়েছে ১৯ জন । এভাবে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন গুনগতমান সম্পন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিস্থানে আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রবেশও সফলতার শীর্ষে । বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শিক্ষকমণ্ডলীর দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রতি বছর শিক্ষক সম্মেলন, সেমিনার, শিক্ষক প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয় । শ্রেণীওয়ারি অভিভাবকের সাথে মতবিনিময় হয় বিভিন্ন সময়ে । বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার পাশাপাশি নৈতিক চরিত্র গঠন এবং নিয়ম-শৃঙ্খলার প্রতি সবিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয় । কেননা এটি অত্র স্কুলের অন্যতম বিশিষ্ট ।

বর্ষচক্রের পরিক্রমায় সেন্ট ফিলিপস্‌ হাই স্কুল এন্ড কলেজ বিগত ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে ৮৮টি বছর পূর্ণ করেছে । এই সুদীর্ঘ সময়ে বিদ্যালয়টিকে ঘিরে ঘটনাবহুল অনেক স্মৃতি বিজড়িত আছে । প্রতিবার গড়ে ২৫০ জন পরীক্ষার্থী থাকা সত্ত্বেও এর মধ্যে মোট ২৬ বার এস. এস. সি পরীক্ষায় ১০০% পাশের বিরল রেকর্ডটিও অত্র প্রতিষ্ঠানের তহবিলে গৌরবের সাথে জমা আছে । শিক্ষা প্রসারের ক্ষেত্রে এই বিদ্যাপীঠের অবদান অনস্বীকার্য । বর্তমানে হলিক্রস ধর্ম সংঘের ব্রতধারী একজন ব্রাদার প্রধান শিক্ষকের/অধ্যক্ষের দায়ি দায়িত্বে রয়েছেন এবং স্কুলের সার্বিক উন্নতির জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন । আপনাদের সকলের আন্তরিক সাহায্য- সহযোগিতা ও সুপরামর্শ স্কুলের উত্তরোত্তর উন্নয়নের জন্য একান্ত কাম্য ।

এছাড়াও, জাতীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনায় সেকায়েপ প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১৪ শিক্ষাবর্ষে সেন্ট ফিলিপস্‌ হাই স্কুল দিনাজপুর সদর উপজেলায় প্রায় ২২২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পুরস্কার অর্জন করেছে ।